বৃহস্পতিবার, ৫ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬

এনসিপিকে সমর্থন করে নির্বাচন থেকে সরে গেলেন খেলাফত মজলিসের প্রার্থী

এনসিপিকে সমর্থন করে নির্বাচন থেকে সরে গেলেন খেলাফত মজলিসের প্রার্থী

 


রাজবাড়ী-২ (পাংশা, বালিয়াকান্দি ও কালুখালী) আসনে জাতীয় নাগরিক পার্টিকে (এনসিপি) সমর্থন জানিয়ে নির্বাচন থেকে সরে যাওয়ার ঘোষণা দিলেন, খেলাফত মজলিস মনোনীত দেওয়াল ঘড়ি মার্কার প্রার্থী কাজী মিনহাজুল আলম। 

আজ বৃহস্পতিবার (০৫ ফেব্রুয়ারি) বিকেল ৩টায় পাংশা উপজেলা প্রেসক্লাব কার্যালয়ে সাংবাদ সম্মেলনের মাধ্যমে এ ঘোষণা দেন তিনি।

সংবাদ সম্মেলনে কাজী মিনহাজুল আলম বলেন, নির্বাচন কমিশনের নির্ধারিত সময় অনুযায়ী গত ২০ জানুয়ারি প্রার্থিতা প্রত্যাহারের শেষ তারিখ ছিল। পারিপার্শ্বিক এবং আমার নিজের অসুস্থতার কারণে নির্বাচন কমিশনের নির্ধারিত সময়ের মধ্যে প্রার্থিতা প্রত্যাহার করতে পারিনি। 

তিনি আরও বলেন, এ আসনে শাপলা কলি প্রতীক নিয়ে জাতীয় নাগরিক পার্টির মনোনীত প্রার্থী জামিল হিজাযীকে সমর্থন জানিয়ে নির্বাচন থেকে নিজেকে সরিয়ে নিচ্ছি। 

সংবাদ সম্মেলনে উপস্থিত ছিলেন, পাংশা উপজেলা জামায়াতে ইসলামীর আমির সুলতান মাহমুদ, খেলাফত মজলিস রাজবাড়ী জেলা শাখার সাধারণ সম্পাদক মাওলানা আবু সাঈদ, বালিয়াকান্দি উপজেলা খেলাফত মজলিসের সাংগঠনিক সম্পাদক শাহিন প্রমুখ।

আমরা বাংলাদেশে কোনো মেজরিটি-মাইনরিটি মানবো না: জামায়াত আমির

আমরা বাংলাদেশে কোনো মেজরিটি-মাইনরিটি মানবো না: জামায়াত আমির


বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর আমির ডা. শফিকুর রহমান বলেছেন, এই দেশ শুধু মুসলমানদের না। এই দেশে মুসলিম-হিন্দু-বৌদ্ধ-খ্রিষ্টান সবাই থাকে। আমরা ঘোষণা দিয়েছে, বাংলাদেশে কোনো মেজরিটি-মাইনরিটি মানবো না।


আজ বৃহস্পতিবার (৫ ফেব্রুয়ারি) নওগাঁ জেলা জামায়াতে ইসলামীর উদ্যোগে নির্বাচনী জনসভায় অংশ নিয়ে প্রধান অতিথির বক্তব্যে এসব কথা বলেন ডা. শফিকুর রহমান।


তিনি বলেন, এদেশে সমস্ত বৈধ নাগরিক এবং এদেশে যারা বসবাস করেন, সংবিধান অনুযায়ী সবাই সমান অধিকার ভোগ করবেন। এখানে কোনো বৈষম্য চলবে না। এদেশে যারা মুসলমান নয়, তারা ভয়ের সংস্কৃতিতে থাকবে কেন? ওটাকে আমরা গুঁড়িয়ে একাকার করে দিতে চাই। এই দেশ আমাদের সকলের। সবাইকে নিয়ে আমরা দেশ সাজাবো, ইনশাআল্লাহ।


কারও পর্যাপ্ত যোগ্যতা এবং দেশের প্রতি দায়বদ্ধতা থাকলে যোগ্য কাজ তার হাতে পৌঁছে যাবে বলে প্রতিশ্রুতি দেন শফিকুর রহমান।


তিনি আরও বলেন, মেয়েদের জন্য আমাদের অঙ্গীকার, মাস্টার্স পর্যন্ত তারা সম্পূর্ণ সরকারি খরচে লেখাপড়া করবেন ইনশাআল্লাহ। সকল শিশুর জন্য আমাদের অঙ্গীকার, একটা মায়ের শিশুকে আমরা লেখাপড়ার বাইরে থাকতে দিবো না।


জামায়াত আমির বলেন, যে বাবা-মায়ের সামর্থ্য আছে, তারা তাদের সন্তানের দেখভাল করবেন। যাদের নাই তাদের দায়িত্ব রাষ্ট্র আর সরকার নেবে।


শফিকুর রহমান আরও বলেন, রাজার ছেলে রাজা নয়, বংশ পরম্পরায় নেতা নয়। বরং আজ যে কঠোর পরিশ্রম করে রিকশা চালান, নুন আনতে যার পান্তা ফুরোয়—তারও যদি মেধাবী ছেলে হয়, আল্লাহর কাছে দোয়া করি সেই মেধাকে বিকশিত করে ওই ঘর থেকে যেন আগামীর প্রধানমন্ত্রী বের হয়ে আসে।

হিন্দু-মুসলিমদের মধ্যে সম্প্রীতি স্থাপন করতে চায়- মির্জা ফখরুল

হিন্দু-মুসলিমদের মধ্যে সম্প্রীতি স্থাপন করতে চায়- মির্জা ফখরুল



ঠাকুরগাঁও প্রতিনিধি: জামায়াতে ইসলামী খুব কথা বলছে৷ তারা ৭১ সালে পাকিস্তানের হানাদার বাহিনীকে সহযোগিতা করেছিল। আমাদেরকে পালিয়ে যেতে হয়েছিল৷ আমরা ২৪ কে ভুলবনা, ৭১ কেও ভুলবনা৷ আমরা যুদ্ধ করে স্বাধীনতা পেয়েছি৷ যুদ্ধ করেছি একটা স্বাধীন, গণতান্ত্রিক ও অসাম্প্রদায়িক বাংলাদেশ গড়ার জন্য বলে মন্তব্য করেছেন বিএনপি মহাসচিব ও ঠাকুরগাঁও-১ আসনের মনোনীত প্রার্থী মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর। 

বৃহস্পতিবার দুপুরে সদর আসনের ফাড়াবাড়ি স্কুল মাঠে নির্বাচনী গণসংযোগে এসব কথা বলেন তিনি৷ 

মহাসচিব বলেন, এই সরকার নিরপেক্ষ সরকার। ভোটের মাধ্যমে যারা নির্বাচন করবে তারা সরকার গঠন করবে। এবারে সুন্দর নির্বাচন হবে৷ মন যাকে চাইবে তাকেই ভোট দেবেন৷ জেলার বড় বড় সড়ক,কলেজ-মাদরাসার উন্নয়ন, ভুট্টা চাষ, বরেন্দ্র টিউবওয়েল আমরা করেছি৷ জামায়াত প্রার্থীকে না জেনে কথা না বলার আহবান তিনি৷


মির্জা ফখরুল বলেন, হিন্দু-মুসলিমের মধ্যে সম্প্রীতি স্থাপন করতে চায়। যুবকদের প্রশিক্ষণের ব্যবস্থা করে বিদেশে পাঠাতে চায়৷ যাতে তারা স্বাবলম্বী হয়ে আয় করতে পারে৷ দক্ষিণাঞ্চলে প্রত্যেক ঘরে ঘরে একজন করে বিদেশে থাকে৷ বাইরে গেলে এলাকার উন্নয়ন হবে৷ তথ্য প্রযুক্তির প্রশিক্ষণের ব্যবস্থা করতে চায়৷ কৃষি ভিত্তিক শিল্প গড়ে তুলতে চায়৷ বিমানবন্দর চালুর গুরুত্বের আগে আয় বাড়ানোকে গুরুত্ব দেব৷ বিশ্ববিদ্যালয়-মেডিকেল কলেজ,প্রকৌশলী কলেজ করতে চায়৷ সবাই এক হলে কাজ গুলো করা সম্ভব হবে৷ 


সনাতনী ধর্মাবলম্বীদের উদ্দেশ্যে তিনি বলেন, আপনাদের ভয় কাজ করে৷ ভয় করবেন না আপনি এ দেশের নাগরিক আমিও এদেশের নাগরিক। আপনাদের কোন ক্ষতি হতে দেবনা৷ কেউ আপনাদের ক্ষতি করবেনা। আপনাদের সুরক্ষার দায়িত্ব রাষ্ট্রের আমাদের সবার৷ এটা আপনাদের দেশ আপনাদের মাটি। এটা আপনার জমি আপনার দেশ।


মির্জা ফখরুল বলেন, আমি আপনাদের পুরানা মানুষ৷ পরীক্ষীত মানুষ, এটা আমার শেষ নির্বাচন। এবারে ধানের শীষে ভোট দিয়ে কাজ করার সুযোগ দেবেন৷ ভোট আপনাদের আমানত,এটা খেয়ানত করবনা৷ আমরা বাপ-দাদার জমি বিক্রি করে রাজনীতি করি৷ সততার সাথে কাজ করেছি ভবিষ্যতেও করব৷