সর্বশেষ

রবিবার, ৫ এপ্রিল, ২০২৬

সুরে স্বপ্ন বুনছেন রাফতি, সামনে এগোনোর দৃঢ় প্রত্যয়

সুরে স্বপ্ন বুনছেন রাফতি, সামনে এগোনোর দৃঢ় প্রত্যয়

রায়া শারমিলা ইসলাম রাফতি—নামটির মধ্যেই আছে এক ধরনের কোমলতা, আর তার পথচলায় রয়েছে পরিশ্রম, স্বপ্ন আর আত্মবিশ্বাসের মিশেল। পরিবার, বন্ধু কিংবা মিডিয়া—সবখানেই তিনি ‘রায়া’ বা ‘রাফতি’ নামে পরিচিত। তবে তার সবচেয়ে বড় পরিচয়, তিনি একজন উদীয়মান কণ্ঠশিল্পী, যার জীবনের কেন্দ্রবিন্দু সঙ্গীত।

২০১৪ সালে বাংলাদেশ টেলিভিশনের সুবর্ণ জয়ন্তী উপলক্ষে আয়োজিত সংগীত প্রতিযোগিতায় আধুনিক গানে প্রথম স্থান অর্জনের মধ্য দিয়ে তার যাত্রা শুরু। এরপর ২০১৫ সালে চ্যানেল আইয়ের জনপ্রিয় অনুষ্ঠান ‘ক্ষুদে গানরাজ’-এ প্রথম রানারআপ হয়ে আলোচনায় আসেন তিনি। ২০১৭ সালে জাতীয় শিশু-কিশোর প্রতিযোগিতায় নজরুল সংগীতে রাষ্ট্রপতির কাছ থেকে স্বর্ণপদক অর্জন তার সাফল্যের তালিকায় যোগ করে নতুন মাত্রা।

শিক্ষাজীবনেও রাফতি ছিলেন সমান উজ্জ্বল। বগুড়া ক্যান্টনমেন্ট পাবলিক স্কুল ও কলেজ থেকে পিইসি ও জেএসসি পরীক্ষায় বৃত্তি, এসএসসি ও এইচএসসি-তে জিপিএ-৫ অর্জন—সব মিলিয়ে একাধারে মেধাবী শিক্ষার্থী হিসেবেও নিজেকে প্রমাণ করেছেন। বর্তমানে তিনি –এ ইংরেজি সাহিত্যে অধ্যয়ন করছেন।

ছোটবেলা থেকেই গান, নাচ ও চারুকলায় আগ্রহ থাকলেও পড়াশোনার ব্যস্ততায় কিছুটা বিরতি ছিল সংগীতে। তবে বিশ্ববিদ্যালয়ে ভর্তি হওয়ার পর আবার নতুন করে মন দিয়েছেন গানে। সম্প্রতি –এর সঙ্গে তার গাওয়া মৌলিক গান “ভালোবাসি কও” সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে সাড়া ফেলেছে। সামনে আসছে নতুন গান “মন মানে না”, যেখানে থাকছেন ।

গানের পাশাপাশি অভিনয়ের প্রতিও আগ্রহ রয়েছে তার। ইতোমধ্যে বিভিন্ন টিভিসি ও নাটকে কাজের প্রস্তাব পেয়েছেন, তবে বেছে বেছে ভালো কাজ করতেই বেশি গুরুত্ব দিচ্ছেন।

ব্যক্তিজীবনে রাফতি প্রাণবন্ত, খোলামেলা এবং প্রতিবাদী। বন্ধুদের সঙ্গে আড্ডা, ছোট ছোট আনন্দ—এসবের মধ্যেই তিনি খুঁজে পান জীবনের রঙ। জীবনের পথে ভুল মানুষ চিনেছেন, আবার ঠিক সময়েই পেয়েছেন কিছু সত্যিকারের সহযাত্রী—যাদের প্রতি তিনি কৃতজ্ঞ।

ভবিষ্যৎ নিয়ে তার ভাবনা স্পষ্ট—সঙ্গীতচর্চার পাশাপাশি বিসিএসের মাধ্যমে প্রশাসনে কাজ করতে চান। নিজের স্বপ্নপূরণের পথে সবার ভালোবাসা আর দোয়া নিয়েই এগিয়ে যেতে চান তিনি।

রাফতির কথায়, “সঙ্গীত আমার সাধনা, আমার অনুভূতি—আমি সারা জীবন এর সঙ্গেই থাকতে চাই।”


শনিবার, ৪ এপ্রিল, ২০২৬

জাল যার, জলা তার—জলমহাল ইজারায় জেলেদের স্বার্থ রক্ষার আশ্বাস ভূমিমন্ত্রীর

জাল যার, জলা তার—জলমহাল ইজারায় জেলেদের স্বার্থ রক্ষার আশ্বাস ভূমিমন্ত্রীর

সরকারি জলমহাল ইজারা প্রদানে প্রকৃত জেলেদের অধিকার অগ্রাধিকার পাবে বলে জানিয়েছেন ভূমিমন্ত্রী । তিনি বলেন, “জাল যার, জলা তার”—এই নীতির ভিত্তিতেই ভবিষ্যতে ইজারা কার্যক্রম পরিচালিত হবে এবং প্রবহমান নদী কোনোভাবেই ইজারার আওতায় আনা হবে না।

শনিবার (৪ এপ্রিল) সুনামগঞ্জ শিল্পকলা একাডেমি মিলনায়তনে সরকারি জলমহাল আইন-২০২৬ এর খসড়া চূড়ান্তকরণ বিষয়ক এক কর্মশালায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।

মন্ত্রী আরও বলেন, প্রকৃত মৎস্যজীবীদের স্বার্থ রক্ষায় সরকার প্রতিশ্রুতিবদ্ধ। কোনোভাবেই যেন মধ্যস্বত্বভোগীরা জেলেদের অধিকার ক্ষুণ্ন করতে না পারে, সে বিষয়ে সংশ্লিষ্টদের সতর্ক থাকার আহ্বান জানান তিনি।

বর্তমান বৈশ্বিক পরিস্থিতির প্রসঙ্গ টেনে তিনি বলেন, সরকার জনগণের দুর্ভোগ কমাতে কাজ করছে এবং জ্বালানি তেলের দাম না বাড়ানোর সিদ্ধান্ত নিয়েছে।

কর্মশালায় বিশেষ অতিথির বক্তব্যে প্রতিমন্ত্রী বলেন, প্রকৃত উপকারভোগীদের তালিকা পুনর্বিবেচনা করে তাদের অগ্রাধিকার নিশ্চিত করতে হবে।

ভূমি মন্ত্রণালয়ের সিনিয়র সচিব –এর সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত এ কর্মশালায় স্থানীয় সংসদ সদস্য, প্রশাসনের কর্মকর্তা, এনজিও প্রতিনিধি ও মৎস্যজীবীরা অংশ নিয়ে মতামত তুলে ধরেন।

কেরানীগঞ্জে কারখানায় আগুনে হতাহতের ঘটনায় প্রধানমন্ত্রীর শোক

কেরানীগঞ্জে কারখানায় আগুনে হতাহতের ঘটনায় প্রধানমন্ত্রীর শোক

কেরানীগঞ্জের কদমতলীতে একটি গ্যাসলাইটার কারখানায় অগ্নিকাণ্ডে হতাহতের ঘটনায় গভীর শোক প্রকাশ করেছেন প্রধানমন্ত্রী ।

শনিবার (৪ এপ্রিল) দেওয়া এক বিবৃতিতে তিনি ঘটনাটিকে অত্যন্ত মর্মান্তিক উল্লেখ করে বলেন, এই প্রাণহানি দেশের জন্য অপূরণীয় ক্ষতি।

প্রধানমন্ত্রী নিহতদের আত্মার মাগফিরাত কামনা করেন এবং শোকসন্তপ্ত পরিবারের সদস্যদের প্রতি গভীর সমবেদনা জানান।

একই সঙ্গে তিনি দ্রুত তদন্তের মাধ্যমে দুর্ঘটনার কারণ উদ্ঘাটন এবং দায়ীদের বিরুদ্ধে দৃষ্টান্তমূলক ব্যবস্থা নেওয়ার নির্দেশ দেন।

সাফ অনূর্ধ্ব-২০ চ্যাম্পিয়ন দল দেশে ফিরেছে, বিমানবন্দরে উচ্ছ্বাস

সাফ অনূর্ধ্ব-২০ চ্যাম্পিয়ন দল দেশে ফিরেছে, বিমানবন্দরে উচ্ছ্বাস

সংগৃহীত ছবি

সাফ অনূর্ধ্ব-২০ চ্যাম্পিয়নশিপে ভারতের বিপক্ষে ফাইনাল জিতে বাংলাদেশ দল দেশে ফিরেছে। শনিবার (৪ এপ্রিল) সন্ধ্যায় ইউএস-বাংলা এয়ারলাইন্সের একটি ফ্লাইটে তারা হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর–এ পৌঁছায়।


বিমানবন্দরে তাদের স্বাগত জানাতে ফেডারেশনের কর্মকর্তাদের পাশাপাশি বিপুলসংখ্যক সমর্থক উপস্থিত ছিলেন। যুব ও ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রী আমিনুল হক ফুল দিয়ে খেলোয়াড়দের বরণ করেন।


সাবেক জাতীয় দলের অধিনায়ক হিসেবে নিজের অভিজ্ঞতার কথা তুলে ধরে তিনি নতুন প্রজন্মের এই সাফল্যে গর্ব প্রকাশ করেন এবং খেলোয়াড়দের অভিনন্দন জানান।


দলের অধিনায়ক মিঠু চৌধুরী–কেও বিশেষভাবে সংবর্ধনা দেওয়া হয়। এ সময় বাফুফের ডেভেলপমেন্ট কমিটির সহ-সভাপতি নাসের শাহরিয়ার জাহেদীসহ ক্রীড়া মন্ত্রণালয়ের কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।


চ্যাম্পিয়ন দলকে নিয়ে এবার ভিন্নধর্মী আয়োজন করেছে বাংলাদেশ ফুটবল ফেডারেশন। প্রথমবারের মতো পুরুষ ফুটবল দলের জন্য ছাদখোলা বাসে বিজয় উদযাপনের ব্যবস্থা করা হয়েছে।


বিমানবন্দর থেকে ছাদখোলা বাসে করে দলটি হাতিরঝিল এম্ফিথিয়েটার–এ যাবে, যেখানে তাদের জন্য বিশেষ সংবর্ধনার আয়োজন করা হয়েছে। ইতোমধ্যে পুরো এলাকা সাজানো হয়েছে বর্ণিল আলোকসজ্জায় এবং চ্যাম্পিয়ন দলের ছবিতে।

নতুন সময়সূচি: সকাল ৯টা–বিকেল ৪টা অফিস, প্রজ্ঞাপন জারি

নতুন সময়সূচি: সকাল ৯টা–বিকেল ৪টা অফিস, প্রজ্ঞাপন জারি


দেশের সব সরকারি ও বেসরকারি অফিসের জন্য নতুন সময়সূচি নির্ধারণ করে প্রজ্ঞাপন জারি করেছে সরকার।

শনিবার (৪ এপ্রিল) জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ের বিধি-৪ শাখা থেকে জারি করা এ প্রজ্ঞাপনে উপসচিব সই করেন।

প্রজ্ঞাপন অনুযায়ী, রোববার থেকে বৃহস্পতিবার পর্যন্ত অফিস চলবে সকাল ৯টা থেকে বিকেল ৪টা পর্যন্ত। শুক্রবার ও শনিবার সাপ্তাহিক ছুটি থাকবে। আগামীকাল রোববার (৫ এপ্রিল) থেকে পরবর্তী নির্দেশ না দেওয়া পর্যন্ত এ সময়সূচি কার্যকর থাকবে।

তবে জরুরি পরিষেবাগুলো এই সময়সূচির বাইরে থাকবে বলে জানানো হয়েছে।

এদিকে ব্যাংক ও আর্থিক প্রতিষ্ঠানের সময়সূচিও নির্ধারণ করা হয়েছে। অফিস সময় সকাল ৯টা থেকে বিকেল ৪টা হলেও ব্যাংকিং লেনদেন চলবে সকাল ১০টা থেকে বিকেল ৩টা পর্যন্ত। এ বিষয়ে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নিতে –কে নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।

আদালতের সময়সূচি নির্ধারণে প্রয়োজনীয় নির্দেশনা দেবে বলেও উল্লেখ করা হয়েছে।

এছাড়া বেসরকারি শিল্প-প্রতিষ্ঠান ও কল-কারখানার কর্মঘণ্টা নির্ধারণে শ্রম আইন অনুযায়ী নির্দেশনা দেবে শ্রম ও কর্মসংস্থান মন্ত্রণালয়।

শুক্রবার, ৩ এপ্রিল, ২০২৬

সিঙ্গাপুরে চিকিৎসাধীন মির্জা আব্বাসের অবস্থার উন্নতি, সিসিইউ থেকে কেবিনে স্থানান্তর

সিঙ্গাপুরে চিকিৎসাধীন মির্জা আব্বাসের অবস্থার উন্নতি, সিসিইউ থেকে কেবিনে স্থানান্তর


বিএনপির জাতীয় স্থায়ী কমিটির সদস্য ও প্রধানমন্ত্রীর উপদেষ্টা –এর শারীরিক অবস্থার কিছুটা উন্নতি হয়েছে। তাকে করোনারি কেয়ার ইউনিট (সিসিইউ) থেকে কেবিনে স্থানান্তর করা হয়েছে।

শুক্রবার (৩ এপ্রিল) চিকিৎসকরা তার অবস্থার উন্নতি হওয়ায় এই সিদ্ধান্ত নেন। বর্তমানে তিনি –এ চিকিৎসাধীন রয়েছেন।

এর আগে গত ১১ মার্চ অসুস্থ হয়ে জ্ঞান হারালে তাকে রাজধানীর –এ ভর্তি করা হয়। সেখানে নিউরো বিশেষজ্ঞদের সমন্বয়ে একটি মেডিকেল বোর্ড গঠন করা হয় এবং ১৩ মার্চ তার মস্তিষ্কে অস্ত্রোপচার করা হয়।

প্রায় সাড়ে তিন ঘণ্টার অস্ত্রোপচারের পর তাকে আইসিইউতে রাখা হয়। পরে উন্নত চিকিৎসার জন্য ১৫ মার্চ এয়ার অ্যাম্বুলেন্সে করে তাকে সিঙ্গাপুরে নেওয়া হয়।

চিকিৎসকদের পর্যবেক্ষণে বর্তমানে তার শারীরিক অবস্থার ধীরে ধীরে উন্নতি হচ্ছে বলে সংশ্লিষ্ট সূত্র জানিয়েছে।

হাজারীবাগে ঢাবি শিক্ষার্থীর মরদেহ উদ্ধার, রহস্য ঘিরে মৃত্যু

হাজারীবাগে ঢাবি শিক্ষার্থীর মরদেহ উদ্ধার, রহস্য ঘিরে মৃত্যু


রাজধানীর হাজারীবাগে একটি ভাড়া বাসা থেকে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের এক শিক্ষার্থীর মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে। বৃহস্পতিবার (২ এপ্রিল) দিবাগত রাতে মনেশ্বর রোডের একটি বাসা থেকে তার মরদেহ উদ্ধার করা হয়।


নিহত শিক্ষার্থী মো. সাইদুল আমিন সীমান্ত (২৫) ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের রসায়ন বিভাগের শেষ বর্ষের ছাত্র ছিলেন। তার বাড়ি নরসিংদীর মনোহরদী উপজেলার বীরগাঁও গ্রামে। পড়াশোনার সুবাদে তিনি হাজারীবাগে ভাড়া বাসায় থাকতেন।


প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হচ্ছে, বিষাক্ত কিছু পান করার কারণে তার মৃত্যু হতে পারে।


জানা যায়, রাতে সীমান্তের রুমমেট তাকে ডাকাডাকি করে কোনো সাড়া না পেয়ে সন্দেহ করেন। পরে বাড়ির মালিক ও প্রতিবেশীদের সহায়তায় দরজা ভেঙে তাকে অচেতন অবস্থায় উদ্ধার করা হয়। গুরুতর অবস্থায় রাত ১টা ২৫ মিনিটে তাকে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল–এ নেওয়া হলে কর্তব্যরত চিকিৎসক মৃত ঘোষণা করেন।


ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে হাসপাতাল পুলিশ ফাঁড়ির উপ-পরিদর্শক মো. সেলিম জানান, মরদেহ মর্গে রাখা হয়েছে এবং বিষয়টি সংশ্লিষ্ট থানাকে জানানো হয়েছে।


তবে মৃত্যুর সুনির্দিষ্ট কারণ এখনো নিশ্চিত হওয়া যায়নি। নিহতের চাচা রুহুল আমিন বলেন, কীভাবে এমন ঘটনা ঘটেছে, তা এখনও পরিষ্কার নয়।