সর্বশেষ

রবিবার, ১৫ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬

জয়ী হয়ে প্রতিদ্বন্দ্বীর বাড়িতে মিষ্টি নিয়ে হাজির বিজয়ী প্রার্থী

জয়ী হয়ে প্রতিদ্বন্দ্বীর বাড়িতে মিষ্টি নিয়ে হাজির বিজয়ী প্রার্থী

নির্বাচন শেষ, উত্তাপও কমেছে। এবার দেখা গেল ভিন্ন এক দৃশ্য। যশোর-৪ আসনের দুই প্রতিদ্বন্দ্বী প্রার্থী রাজনৈতিক সৌহার্দ্য ও সহাবস্থানের বার্তা দিতে পরস্পরের সঙ্গে সাক্ষাৎ করেছেন।

রোববার (১৫ ফেব্রুয়ারি) সকালে দাঁড়িপাল্লা প্রতীকের বিজয়ী প্রার্থী অধ্যাপক গোলাম রসুল যান ধানের শীষের প্রার্থী মতিয়ার ফারাজির বাসভবনে। ঘটনাটি যশোরের অভয়নগর উপজেলার নওয়াপাড়া পৌরসভার ৭ নম্বর ওয়ার্ডে।

এসময় দুই প্রার্থী কুশল বিনিময় করেন এবং মিষ্টি আদান-প্রদানের মধ্য দিয়ে সৌহার্দ্যের বার্তা দেন। নির্বাচনী প্রতিদ্বন্দ্বিতা থাকলেও ব্যক্তিগত সম্পর্ক ও গণতান্ত্রিক চর্চার জায়গায় তারা একে অপরের প্রতি সম্মান জানান।

অধ্যাপক গোলাম রসুল বলেন, যশোর-৪ আসনের প্রতিটি নাগরিকের জন্য সমান অধিকার ও সুযোগ-সুবিধা নিশ্চিত করাই তার লক্ষ্য। তিনি নির্বাচনের পর সবাইকে সঙ্গে নিয়েই এলাকার উন্নয়নে কাজ করার প্রত্যয় ব্যক্ত করেন।

বিএনপি সরকারের সাথে ভারতের সম্পর্ক কেমন হতে পারে, জানালো বিবিসি

বিএনপি সরকারের সাথে ভারতের সম্পর্ক কেমন হতে পারে, জানালো বিবিসি

ঢাকা-১১ আসনে ভোট দিয়ে বিজয়ী করায় এলাকাবাসীর প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেছেন জাতীয় নাগরিক পার্টি (এনসিপি)-এর আহ্বায়ক নাহিদ ইসলাম। রোববার (১৫ ফেব্রুয়ারি) নিজের ফেসবুক স্ট্যাটাসে তিনি এ প্রতিক্রিয়া জানান।

নাহিদ ইসলাম বলেন, ভোটারদের ভালোবাসা, আস্থা ও অক্লান্ত সমর্থনেই এই জয় সম্ভব হয়েছে। তিনি মহান আল্লাহর প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেন এবং জুলাই গণঅভ্যুত্থানের শহীদদের গভীর শ্রদ্ধায় স্মরণ করেন।

তিনি দাবি করেন, নানা হুমকি, ষড়যন্ত্র, অর্থ ও পেশিশক্তির চ্যালেঞ্জ উপেক্ষা করে জনগণ তার ওপর আস্থা রেখেছে। ভোটারদের সাহস, নিষ্ঠা ও ঐক্য গণতন্ত্রকে শক্তিশালী করেছে বলেও উল্লেখ করেন তিনি।

এনসিপি আহ্বায়ক জানান, এগারো দলের স্থানীয় নেতাকর্মীদের পরিশ্রম, মা-বোনদের ঘরে ঘরে প্রচারণা এবং ছাত্র-যুবকদের সক্রিয় ভূমিকা এই বিজয়ে বড় অবদান রেখেছে। সবার সম্মিলিত প্রচেষ্টাকেই তিনি জয়লাভের মূল শক্তি হিসেবে তুলে ধরেন।

শিগগিরই ঢাকা-১১ এর বিভিন্ন এলাকায় গিয়ে জনগণের সঙ্গে সরাসরি মতবিনিময়ের আশ্বাস দেন নাহিদ। তিনি বলেন, লক্ষ্য শুধু নির্বাচনী জয় নয়; বরং সন্ত্রাস, চাঁদাবাজি ও দখলদারিত্বমুক্ত, ন্যায়ভিত্তিক ও নিরাপদ একটি ঢাকা-১১ গড়ে তোলা।

একই সঙ্গে তিনি ওসমান হাদিসহ জুলাই গণহত্যার দায়ীদের বিচারের অঙ্গীকার পুনর্ব্যক্ত করেন। জুলাই সনদ বাস্তবায়ন, দুর্নীতি ও চাঁদাবাজির বিরুদ্ধে কঠোর অবস্থান এবং তরুণদের ক্ষমতায়নের কথাও তুলে ধরেন তিনি।

এটি তার জীবনের প্রথম নির্বাচন উল্লেখ করে নাহিদ ইসলাম বলেন, সীমিত সময়ের প্রচারণা সত্ত্বেও ভোটাররা তার প্রতীক শাপলা কলি ও গণভোটে ‘হ্যাঁ’-এর পক্ষে রায় দিয়েছেন। এই আস্থা সততা, নিষ্ঠা ও দক্ষতার সঙ্গে রক্ষা করবেন বলেও প্রতিশ্রুতি দেন তিনি।

শেষে তিনি বলেন, এই জয়ই শেষ নয়—আগামীর পথচলায় জনগণই হবে তার প্রধান শক্তি।

দেশ ছেড়েছেন প্রধান উপদেষ্টার বিশেষ সহকারী

দেশ ছেড়েছেন প্রধান উপদেষ্টার বিশেষ সহকারী

অন্তর্বর্তী সরকারের প্রধান উপদেষ্টার বিশেষ সহকারী ফয়েজ আহমদ তৈয়্যব দেশত্যাগ করেছেন। তিনি ডাক, টেলিযোগাযোগ ও তথ্যপ্রযুক্তি মন্ত্রণালয়ের দায়িত্বপ্রাপ্ত ছিলেন।

শনিবার (১৪ ফেব্রুয়ারি) সকালে তিনি জার্মানির উদ্দেশে ঢাকা ত্যাগ করেন। বিমানবন্দর সূত্র জানিয়েছে, ইমিরেটস এয়ারলাইন্সের ফ্লাইট (ইকে ৫৮৩) যোগে হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর থেকে রওনা দেন তিনি। তবে তাঁর এই সফরের উদ্দেশ্য সম্পর্কে আনুষ্ঠানিকভাবে কিছু জানানো হয়নি।

উল্লেখ্য, ২০২৫ সালের ফেব্রুয়ারিতে এনসিপি গঠনের লক্ষ্যে ডাক, টেলিযোগাযোগ ও তথ্যপ্রযুক্তি এবং তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রণালয়ের উপদেষ্টা পদ থেকে পদত্যাগ করেন নাহিদ ইসলাম। পরে একই বছরের ৫ মার্চ প্রতিমন্ত্রী পদমর্যাদায় ডাক, টেলিযোগাযোগ ও তথ্যপ্রযুক্তি মন্ত্রণালয়ে প্রধান উপদেষ্টার বিশেষ সহকারী হিসেবে নিয়োগ পান ফয়েজ আহমদ তৈয়্যব।

এর আগে তিনি তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি (আইসিটি) বিভাগে ‘পলিসি এডভাইজার (সংস্কার ও সমন্বয়)’ পদে দায়িত্ব পালন করেন।

গেজেট প্রকাশের পর শপথ ঘিরে জোর প্রস্তুতি, মঙ্গলবারেই নতুন সরকার?

গেজেট প্রকাশের পর শপথ ঘিরে জোর প্রস্তুতি, মঙ্গলবারেই নতুন সরকার?

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের ভোটগ্রহণ শেষ হওয়ার একদিন পরই বিজয়ীদের নাম উল্লেখ করে গেজেট প্রকাশ করেছে নির্বাচন কমিশন। ফলে এখন রাজনৈতিক অঙ্গনের মূল আলোচ্য বিষয়—কবে শপথ নিচ্ছেন নবনির্বাচিতরা, কবে দায়িত্ব নেবে নতুন সরকার।

শপথের দিনক্ষণ নিয়ে আনুষ্ঠানিক ঘোষণা না এলেও একাধিক নির্ভরযোগ্য সূত্র বলছে, আগামী মঙ্গলবারই হতে পারে গুরুত্বপূর্ণ দিনটি। ওই দিনই নবনির্বাচিত সংসদ সদস্যদের শপথ এবং পরে নতুন মন্ত্রিসভার শপথ আয়োজনের প্রস্তুতি চলছে।

সংবিধান অনুযায়ী, সংসদ সদস্যদের শপথ গ্রহণের মধ্য দিয়েই নতুন সংসদের কার্যক্রম শুরু হয়। সাধারণত প্রধান নির্বাচন কমিশনার সংসদ সদস্যদের শপথ পাঠ করান। এরপর রাষ্ট্রপতি প্রধানমন্ত্রী ও মন্ত্রিসভার সদস্যদের শপথবাক্য পাঠ করান।

তবে এবারের প্রেক্ষাপটে শপথ কে পড়াবেন এবং কোন ধাপে কীভাবে প্রক্রিয়া সম্পন্ন হবে—তা নিয়ে কিছুটা আইনি আলোচনা তৈরি হয়েছে। সংবিধান বিশেষজ্ঞরা মনে করছেন, নির্ধারিত প্রক্রিয়া যথাযথভাবে অনুসরণ না করলে ভবিষ্যতে আইনি জটিলতা দেখা দিতে পারে।

এ কারণে গেজেট প্রকাশের তিন দিন পর শপথ আয়োজনের বিষয়টি গুরুত্ব দিয়ে বিবেচনা করা হচ্ছে বলে জানা গেছে। প্রধান নির্বাচন কমিশনার এ এম এম নাসির উদ্দীন–এর মাধ্যমে সংসদ সদস্যদের শপথ পড়ানো এবং পরে রাষ্ট্রপতির মাধ্যমে মন্ত্রিসভার শপথ সম্পন্ন করার দিকেই ঝুঁকছে সংশ্লিষ্টরা।

সব কিছু ঠিক থাকলে মঙ্গলবারই বিএনপি নেতৃত্বাধীন নতুন সরকারের শপথের মধ্য দিয়ে আনুষ্ঠানিকভাবে ক্ষমতার পালাবদল সম্পন্ন হতে পারে। এখন দেখার বিষয়—চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত কবে আনুষ্ঠানিকভাবে জানানো হয়।

ভরিতে ২,৬১,০৪০ টাকা: স্বর্ণের দামে বড় লাফ

ভরিতে ২,৬১,০৪০ টাকা: স্বর্ণের দামে বড় লাফ

বিশ্ববাজারে টানা মূল্যবৃদ্ধির প্রভাব পড়েছে দেশের বাজারেও। স্বর্ণের দাম বাড়ানোর ঘোষণা দিয়েছে বাংলাদেশ জুয়েলার্স অ্যাসোসিয়েশন (বাজুস)। নতুন সিদ্ধান্ত অনুযায়ী, ২২ ক্যারেটের প্রতি ভরি স্বর্ণের দাম ২ হাজার ২১৬ টাকা বাড়িয়ে নির্ধারণ করা হয়েছে ২ লাখ ৬১ হাজার ৪০ টাকা।

শনিবার (১৪ ফেব্রুয়ারি) থেকে সারা দেশে এ দর কার্যকর হয়েছে।

বাজুস জানিয়েছে, স্থানীয় বাজারে খাঁটি স্বর্ণ বা তেজাবি স্বর্ণের সরবরাহ সংকট এবং আন্তর্জাতিক বাজারের অস্থিতিশীলতার কারণে এ মূল্যসমন্বয় করা হয়েছে।

নতুন দর

  • ২২ ক্যারেট: ২,৬১,০৪০ টাকা

  • ২১ ক্যারেট: ২,৪৯,১৪৩ টাকা

  • ১৮ ক্যারেট: ২,১৩,৫৭৮ টাকা

  • সনাতন পদ্ধতি: ১,৭৪,৭৮৫ টাকা

সংগঠনটি আরও জানায়, নির্ধারিত বিক্রয়মূল্যের সঙ্গে ক্রেতাকে সরকার নির্ধারিত ৫ শতাংশ ভ্যাট এবং বাজুস নির্ধারিত ন্যূনতম ৬ শতাংশ মজুরি পরিশোধ করতে হবে। তবে গয়নার নকশা ও মানভেদে মজুরির হার ভিন্ন হতে পারে।

পরবর্তী নির্দেশনা না দেওয়া পর্যন্ত দেশের সব জুয়েলারি প্রতিষ্ঠানে এই দর বহাল থাকবে বলেও জানিয়েছে বাজুস।

নতুন সরকারের শপথ অনুষ্ঠানে ১৩ দেশের সরকারপ্রধানকে আমন্ত্রণ

নতুন সরকারের শপথ অনুষ্ঠানে ১৩ দেশের সরকারপ্রধানকে আমন্ত্রণ

তারেক রহমান–এর নেতৃত্বে গঠিত হতে যাওয়া নতুন সরকার আগামী মঙ্গলবার শপথ নিতে যাচ্ছে। জাতীয় সংসদের দক্ষিণ প্লাজায় অনুষ্ঠিতব্য এই শপথ অনুষ্ঠানে অংশ নিতে অন্তর্বর্তী সরকারের প্রধান উপদেষ্টা মুহাম্মদ ইউনূস ১৩ দেশের সরকারপ্রধানকে আমন্ত্রণ জানিয়েছেন।

অন্তর্বর্তী সরকারের প্রধান উপদেষ্টার কার্যালয়, আইন মন্ত্রণালয় এবং সরকার গঠন করতে যাওয়া বিএনপির একাধিক সূত্র বিষয়টি নিশ্চিত করেছে। শনিবার (১৪ ফেব্রুয়ারি) রাতে অন্তর্বর্তী সরকারের এক দায়িত্বশীল কর্মকর্তা সংবাদমাধ্যমকে এ তথ্য জানান।

জানা গেছে, ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে বিজয়ী বিএনপির নীতিনির্ধারণী পর্যায়ের নেতৃত্বের সঙ্গে আলোচনার ভিত্তিতেই ১৩ দেশের সরকারপ্রধানকে আমন্ত্রণ জানানোর সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়।

কূটনৈতিক সূত্র অনুযায়ী, আমন্ত্রিত দেশের তালিকায় রয়েছে চীন, সৌদি আরব, তুরস্ক, ভারত, পাকিস্তান, সংযুক্ত আরব আমিরাত, কাতার, মালয়েশিয়া, ব্রুনেই, শ্রীলঙ্কা, নেপাল, মালদ্বীপ ও ভুটান।

এর আগে ১২ ফেব্রুয়ারি অনুষ্ঠিত ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে দুই-তৃতীয়াংশের বেশি আসনে জয় পায় বিএনপি জোট। নির্বাচিত সদস্যরা ১৭ ফেব্রুয়ারি মঙ্গলবার শপথ নেবেন। সকালে তাঁদের শপথ পড়াবেন প্রধান নির্বাচন কমিশনার এ এম এম নাসির উদ্দীন।

শপথ অনুষ্ঠানকে ঘিরে ইতোমধ্যে প্রস্তুতি শুরু হয়েছে। নতুন সরকার গঠনের মধ্য দিয়ে দেশের রাজনৈতিক পরিসরে আরেকটি নতুন অধ্যায়ের সূচনা হতে যাচ্ছে।

শনিবার, ১৪ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬

নতুন মন্ত্রিপরিষদ সচিব সিরাজ উদ্দিন মিয়া

নতুন মন্ত্রিপরিষদ সচিব সিরাজ উদ্দিন মিয়া


মন্ত্রিপরিষদ সচিব (চুক্তিভিত্তিক) হিসেবে অতিরিক্ত দায়িত্ব পেয়েছেন প্রধান উপদেষ্টার মুখ্য সচিব (চুক্তিভিত্তিক) এম সিরাজ উদ্দিন মিয়া।

শনিবার (১৪ ফেব্রুয়ারি) জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয় থেকে জারি করা প্রজ্ঞাপনে এ তথ্য জানানো হয়। প্রজ্ঞাপন অনুযায়ী, বর্তমান দায়িত্বের পাশাপাশি তাঁকে মন্ত্রিপরিষদ সচিবের দায়িত্বও পালন করতে হবে।

এর আগে একই দিন পৃথক প্রজ্ঞাপনে মন্ত্রিপরিষদ সচিব শেখ আব্দুর রশীদ–এর চুক্তির মেয়াদ বাতিল করে সরকার।

প্রশাসনের গুরুত্বপূর্ণ এই পদে পরিবর্তনের মাধ্যমে নতুন সরকারের দায়িত্ব গ্রহণের প্রাক্কালে প্রশাসনিক কাঠামোয় নতুন সমন্বয় আনা হলো বলে সংশ্লিষ্টরা মনে করছেন।