সর্বশেষ

বুধবার, ২৫ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬

বাংলাদেশ ব্যাংকের নতুন গভর্নর মোস্তাকুর রহমান

বাংলাদেশ ব্যাংকের নতুন গভর্নর মোস্তাকুর রহমান

বাংলাদেশ ব্যাংকের নতুন গভর্নর মোস্তাকুর রহমান

বাংলাদেশ ব্যাংক-এর গভর্নর হিসেবে আহসান এইচ মনসুরকে সরিয়ে নিয়োগ দেওয়া হয়েছে মো. মোস্তাকুর রহমানকে।

মোস্তাকুর রহমান একজন অভিজ্ঞ কস্ট অ্যান্ড ম্যানেজমেন্ট অ্যাকাউন্ট্যান্ট (সিএমএ)। তিন দশকেরও বেশি সময় ধরে তিনি এ খাতে কাজ করছেন। তিনি ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়-এর হিসাবরক্ষণ বিভাগ থেকে বি.কম (সম্মান) ও স্নাতকোত্তর ডিগ্রি অর্জন করেন।

পেশাগত জীবনে তিনি বাংলাদেশ গার্মেন্টস ম্যানুফ্যাকচারার্স অ্যান্ড এক্সপোর্টার্স অ্যাসোসিয়েশন (বিজিএমইএ), রিয়েল এস্টেট অ্যান্ড হাউজিং অ্যাসোসিয়েশনস অব বাংলাদেশ (রিহ্যাব), অ্যাসোসিয়েশন অব ট্রাভেল এজেন্টস অফ বাংলাদেশ (এটিএবি) এবং ঢাকা চেম্বার অব কমার্স অ্যান্ড ইন্ডাস্ট্রি (ডিসিসিআই)-সহ বিভিন্ন পেশাজীবী ও শিল্প সংগঠনের কমিটিতে গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্ব পালন করেছেন।

এ ছাড়া তিনি চট্টগ্রাম স্টক এক্সচেঞ্জ লিমিটেড-সহ বিভিন্ন নিয়ন্ত্রক সংস্থার সঙ্গে ঘনিষ্ঠভাবে কাজ করেছেন বলে জানা গেছে।

পিলখানা হত্যাকাণ্ডের নেপথ্যে সার্বভৌমত্ববিরোধী তৎপরতা ছিল: প্রধানমন্ত্রী

পিলখানা হত্যাকাণ্ডের নেপথ্যে সার্বভৌমত্ববিরোধী তৎপরতা ছিল: প্রধানমন্ত্রী

প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান বলেছেন, বিডিআর সদর দপ্তর পিলখানায় সংঘটিত সেনা হত্যাকাণ্ডের নেপথ্যে দেশ ও জনগণের স্বাধীনতা–সার্বভৌমত্ববিরোধী তৎপরতা বিদ্যমান ছিল। ফ্যাসিবাদমুক্ত বাংলাদেশে এ হত্যাকাণ্ডের প্রকৃত কারণ এখন জনগণের কাছে স্পষ্ট।

বুধবার (২৫ ফেব্রুয়ারি) ‘জাতীয় শহীদ সেনা দিবস’ উপলক্ষে দেওয়া এক বাণীতে তিনি এ কথা বলেন।

২০০৯ সালের ২৫ ফেব্রুয়ারির ঘটনা স্মরণ করে প্রধানমন্ত্রী বলেন, সেদিন পিলখানায় সংঘটিত নারকীয় হত্যাযজ্ঞে ৫৭ জন সেনা কর্মকর্তাসহ মোট ৭৪ জন শহীদ হন। তাদের আত্মত্যাগ জাতি গভীর শ্রদ্ধার সঙ্গে স্মরণ করে।

তিনি বলেন, ২০০৯ সালের পর দিনটি যথাযথ গুরুত্বে পালন করা হয়নি। তবে ২০২৪ সালে দেশ ফ্যাসিবাদমুক্ত হওয়ার পর থেকে ২৫ ফেব্রুয়ারি ‘শহীদ সেনা দিবস’ হিসেবে রাষ্ট্রীয়ভাবে পালিত হচ্ছে। এ দিনে তিনি শহীদদের মাগফিরাত কামনা করেন এবং শোকসন্তপ্ত পরিবারের সদস্যদের প্রতি গভীর সহানুভূতি ও সহমর্মিতা জানান।

বিচার প্রক্রিয়া প্রসঙ্গে প্রধানমন্ত্রী বলেন, পিলখানার সেনা হত্যাকাণ্ডের বিচার চলমান। বিচারাধীন বিষয় হওয়ায় বিস্তারিত মন্তব্যের সুযোগ নেই। তবে নাগরিক হিসেবে এ বিষয়টি উপলব্ধি করা জরুরি যে, হত্যাকাণ্ডের পেছনে দেশ ও জনগণের স্বাধীনতা–সার্বভৌমত্ববিরোধী তৎপরতা কাজ করেছিল।

তিনি আরও বলেন, ঘটনার পর বিভিন্ন মিথ্যা ও অপতথ্য ছড়িয়ে জনগণকে বিভ্রান্ত করার চেষ্টা হয়েছিল। কিন্তু বর্তমান প্রেক্ষাপটে হত্যাকাণ্ডের নেপথ্য কারণ এখন স্পষ্ট।

সশস্ত্র বাহিনীর গুরুত্ব তুলে ধরে প্রধানমন্ত্রী বলেন, সশস্ত্র বাহিনী একটি স্বাধীন দেশের সম্মান, বীরত্ব ও গৌরবের প্রতীক। ভবিষ্যতে কেউ যাতে সশস্ত্র বাহিনীর বিরুদ্ধে ষড়যন্ত্রে লিপ্ত হতে না পারে, সে বিষয়ে সবাইকে সতর্ক ও ঐক্যবদ্ধ থাকার আহ্বান জানান তিনি।

দেশ ও জনগণের স্বার্থবিরোধী যেকোনো ষড়যন্ত্রের বিরুদ্ধে ঐক্যবদ্ধভাবে রুখে দাঁড়ানোর অঙ্গীকারই হোক শহীদ সেনা দিবসের মূল প্রত্যয়—বলেন প্রধানমন্ত্রী।

বেতন-বোনাস পরিশোধে বকেয়া প্রণোদনার পাশাপাশি ‘সফট লোন’ চায় বিজিএমইএ

বেতন-বোনাস পরিশোধে বকেয়া প্রণোদনার পাশাপাশি ‘সফট লোন’ চায় বিজিএমইএ

ঈদুল ফিতরের আগে শ্রমিকদের বেতন–বোনাস পরিশোধে নগদ অর্থের চাপ সামাল দিতে বকেয়া রপ্তানি সহায়তার অর্থ দ্রুত ছাড়ের দাবি জানিয়েছে তৈরি পোশাক মালিকদের সংগঠন বাংলাদেশ তৈরি পোশাক প্রস্তুত ও রপ্তানিকারক সমিতি (বিজিএমইএ)।

মঙ্গলবার (২৪ ফেব্রুয়ারি) এ বিষয়ে বাংলাদেশ ব্যাংক-এর গভর্নর ড. আহসান এইচ মনসুর-এর সঙ্গে সাক্ষাৎ করে একটি চিঠি দেন সংগঠনটির নেতারা।

চিঠিতে জানানো হয়, রপ্তানি সহায়তা বা প্রণোদনা বাবদ পোশাক খাতের প্রায় ৫ হাজার ৭০০ কোটি টাকা এখনো বকেয়া রয়েছে। ঈদের আগে যাতে শ্রমিকদের বেতন ও বোনাস দিতে কারখানাগুলো সমস্যায় না পড়ে, সে জন্য দ্রুত এ অর্থ ছাড়ের অনুরোধ জানানো হয়েছে।

পাশাপাশি ফেব্রুয়ারি ও মার্চ মাসের বেতন পরিশোধে সরকারের কাছে ১৪ হাজার কোটি টাকা স্বল্পসুদে ঋণ (সফট লোন) চাওয়া হয়েছে।

রাজধানীর মতিঝিলে বাংলাদেশ ব্যাংকের প্রধান কার্যালয়ে গভর্নরের সঙ্গে সাক্ষাৎ করেন বিজিএমইএর সিনিয়র সহসভাপতি এনামুল হক খান বাবলু ও সহসভাপতি শিহাব উদ্দোজা চৌধুরী।

সাক্ষাৎ শেষে শিহাব উদ্দোজা চৌধুরী সাংবাদিকদের বলেন, খাতটির এক মাসের মোট বেতন ব্যয় প্রায় ৭ হাজার কোটি টাকা। সে হিসাবে দুই মাসে প্রয়োজন হবে আনুমানিক ১৪ হাজার কোটি টাকা। এই অর্থ সহজ শর্তে ঋণ হিসেবে সরবরাহের প্রস্তাব দেওয়া হয়েছে।

তিনি আরও জানান, ফেব্রুয়ারি ও মার্চ—এই দুই মাসে ৬০ দিনের মধ্যে প্রায় ২৫ দিন সরকারি ছুটি ও নির্বাচনি কার্যক্রমে বন্ধ ছিল। ফলে ৩৫ দিন কাজ করে ৬০ দিনের বেতন দেওয়া অনেক কারখানার পক্ষে কঠিন হয়ে পড়বে।

গভর্নর প্রণোদনার অর্থ দ্রুত ছাড়ের বিষয়ে সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয়ের সঙ্গে কথা বলবেন বলে আশ্বাস দিয়েছেন। স্যালারি সাপোর্টের বিষয়টি অর্থ মন্ত্রণালয়কে জানাতে পরামর্শ দিয়েছেন। প্রস্তাবগুলো ইতিবাচকভাবে নেওয়া হয়েছে বলেও দাবি করেন বিজিএমইএ নেতারা।

প্রণোদনা বিতরণে বর্তমান ‘ফার্স্ট ইন, ফার্স্ট আউট’ পদ্ধতিতে ক্ষুদ্র ও মাঝারি শিল্প (এসএমই) বঞ্চিত হতে পারে—এমন আশঙ্কা তুলে ধরে বিজিএমইএ বলেছে, এসএমই খাতের জন্য আলাদা বিশেষ তহবিল গঠন প্রয়োজন। বাজেট বরাদ্দের অর্থ থেকে আগে এসএমই খাতে অগ্রাধিকার ভিত্তিতে বিতরণ করার প্রস্তাবও দেওয়া হয়েছে।

সরকারি প্রণোদনার অর্থ সরকার বরাদ্দ দিলেও কেন্দ্রীয় ব্যাংকের সঙ্গে বৈঠকের কারণ জানতে চাইলে সংগঠনটি জানায়, তারা আগে অর্থ মন্ত্রণালয়ে চিঠি দিয়েছে এবং অর্থমন্ত্রী ও অর্থসচিবের সঙ্গে বৈঠক করেছে। নীতিগত সমন্বয়ের অংশ হিসেবেই গভর্নরের সঙ্গে সাক্ষাৎ করা হয়েছে।

প্রতিবছর ঈদের আগে কেন এ ধরনের ঋণ চাহিদা তৈরি হয়—এ প্রশ্নে বিজিএমইএ নেতারা বলেন, এবারের পরিস্থিতি ভিন্ন। সাম্প্রতিক রাজনৈতিক অস্থিরতা, আন্দোলন, শ্রমিক অসন্তোষ ও নির্বাচনি পরিস্থিতির প্রভাব শিল্পে পড়েছে। পাশাপাশি যুক্তরাষ্ট্রের সাবেক প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প-এর আরোপিত শুল্কনীতির প্রভাবেও রপ্তানি খাত চাপে রয়েছে বলে দাবি করেন তারা। গত সাত মাস ধরে রপ্তানি প্রবৃদ্ধি নেতিবাচক ধারায় রয়েছে, এ অবস্থায় শিল্পকে টিকিয়ে রাখতে দ্রুত সহায়তা প্রয়োজন বলে মনে করছেন খাতসংশ্লিষ্টরা।

পিলখানা হত্যাযজ্ঞের ১৭ বছর আজ

পিলখানা হত্যাযজ্ঞের ১৭ বছর আজ

আজ ২৫ ফেব্রুয়ারি ‘জাতীয় শহীদ সেনা দিবস’। ২০০৯ সালের এই দিনে ঢাকার পিলখানায় তৎকালীন বিডিআর সদর দপ্তরে বিদ্রোহের নামে সংঘটিত ভয়াবহ হত্যাযজ্ঞে তৎকালীন মহাপরিচালক মেজর জেনারেল সাকিল আহমেদসহ ৫৭ জন সেনা কর্মকর্তা নির্মমভাবে নিহত হন। তার স্ত্রীসহ আরও কয়েকজন বেসামরিক নাগরিকও প্রাণ হারান। পরদিনও হত্যাকাণ্ড চলতে থাকে।

এত বছর পরও ঘটনার প্রকৃত পরিকল্পনাকারীরা সম্পূর্ণভাবে বিচারের আওতায় আসেননি—এমন অভিযোগ শহীদ পরিবারগুলোর।

দিবসটি উপলক্ষে আজ সকালে রাষ্ট্রপতি ও প্রধানমন্ত্রী রাজধানীর বনানী সামরিক কবরস্থানে শহীদ সেনা কর্মকর্তাদের প্রতি রাষ্ট্রীয় শ্রদ্ধা জানান। গত বছর থেকে দিবসটি রাষ্ট্রীয়ভাবে পালন করা হচ্ছে। দিনটি শহীদ সেনা কর্মকর্তাদের স্মরণ, দোয়া ও শ্রদ্ধা নিবেদনের মাধ্যমে পালন করা হয়।

শেখ হাসিনা সরকারের পতনের পর গঠিত স্বাধীন তদন্ত কমিশন তাদের প্রতিবেদন জমা দেয়। প্রতিবেদনে হত্যাকাণ্ডের মাস্টারমাইন্ড ও জড়িতদের বিষয়ে বিভিন্ন তথ্য উঠে আসে। তবে অন্তর্বর্তী সরকার কমিশনের প্রতিবেদনে নাম থাকা ব্যক্তিদের বিরুদ্ধে মামলা ও বিচার প্রক্রিয়া শুরু করলেও তা শেষ করতে পারেনি।

সোমবার স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ বলেন, সরকার নির্বাচনী অঙ্গীকার অনুযায়ী বিডিআর হত্যাকাণ্ডের ঘটনা পূর্ণাঙ্গভাবে পুনঃতদন্ত করবে অথবা কমিশনের প্রতিবেদনের ভিত্তিতে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেবে। ন্যায়বিচার প্রতিষ্ঠায় সরকার প্রতিশ্রুতিবদ্ধ বলেও তিনি জানান।

৫৭ শহীদ সেনা কর্মকর্তার একজন কর্নেল কুদরত-ই-এলাহীর ছেলে ব্যারিস্টার সাকিব রহমান বলেন, শহীদ পরিবারের অধিকাংশ সদস্যই জাতীয় স্বাধীন তদন্ত কমিশনের প্রতিবেদনে সন্তুষ্ট। তাদের দাবি, বর্তমান সরকার যেন ওই প্রতিবেদনের ভিত্তিতেই বিচার কার্যক্রম শুরু করে।

জাতীয় শহীদ সেনা দিবস উপলক্ষে দেওয়া বাণীতে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান বলেন, ফ্যাসিবাদমুক্ত বাংলাদেশে পিলখানার হত্যাকাণ্ডের নেপথ্য কারণ এখন জনগণের কাছে স্পষ্ট। তিনি উল্লেখ করেন, হত্যাযজ্ঞে ৫৭ সেনা কর্মকর্তাসহ মোট ৭৪ জন শহীদ হন। ২০০৯ সালের পর দিনটি যথাযোগ্য গুরুত্বে পালিত হয়নি, তবে ২০২৪ সালে দেশ ফ্যাসিবাদমুক্ত হওয়ার পর থেকে এটি ‘শহীদ সেনা দিবস’ হিসেবে পালিত হচ্ছে।

তিনি শহীদদের মাগফিরাত কামনা করেন এবং শোকসন্তপ্ত পরিবারের প্রতি গভীর সহানুভূতি জানান। বিচারাধীন বিষয় হওয়ায় বিস্তারিত মন্তব্যের অবকাশ নেই বলেও উল্লেখ করেন প্রধানমন্ত্রী। তবে তিনি বলেন, এ হত্যাকাণ্ডের নেপথ্যে দেশ ও জনগণের স্বাধীনতা-সার্বভৌমত্ববিরোধী তৎপরতা ছিল—নাগরিক হিসেবে বিষয়টি অনুধাবন করা জরুরি।

প্রধানমন্ত্রী আরও বলেন, সশস্ত্র বাহিনী একটি স্বাধীন দেশের সম্মান ও গৌরবের প্রতীক। ভবিষ্যতে যাতে কেউ সশস্ত্র বাহিনীর বিরুদ্ধে কোনো ষড়যন্ত্রে লিপ্ত হতে না পারে, সে বিষয়ে সবাইকে সতর্ক থাকার আহ্বান জানান তিনি।

মঙ্গলবার, ২৪ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬

নতুন আইজিপি মো. আলী হোসেন ফকির

নতুন আইজিপি মো. আলী হোসেন ফকির

নতুন আইজিপি মো. আলী হোসেন ফকির

পুলিশের অতিরিক্ত আইজি ও আর্মড পুলিশ ব্যাটালিয়ন (এপিবিএন) প্রধান মো. আলী হোসেন ফকিরকে পদোন্নতি দিয়ে নতুন পুলিশ মহাপরিদর্শক (আইজিপি) নিয়োগ দিয়েছে সরকার।

মঙ্গলবার (২৪ ফেব্রুয়ারি) স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়-এর জারি করা এক প্রজ্ঞাপনে এ তথ্য জানানো হয়।

বাগেরহাটের সন্তান মো. আলী হোসেন ফকির বিসিএস (পুলিশ) ক্যাডারের ১৫তম ব্যাচের কর্মকর্তা। কর্মজীবনে বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ পদে দায়িত্ব পালন করেছেন তিনি।

সূত্র জানায়, আওয়ামী লীগ সরকারের সময় রাজনৈতিক কারণে একবার তাকে চাকরিচ্যুত করা হয়। পরে বিএনপি ক্ষমতায় এলে তিনি পুনর্বহাল হন। আবারও আওয়ামী লীগ আমলে তাকে বাধ্যতামূলক অবসরে পাঠানো হয়।

২০২৪ সালের জুলাইয়ের গণঅভ্যুত্থানে শেখ হাসিনা সরকারের পতনের পর অন্তর্বর্তী সরকার দায়িত্ব নিলে আইনি প্রক্রিয়ায় এসপি পদমর্যাদায় চাকরি ফিরে পান তিনি। পরবর্তীতে সুপার নিউমারারি ডিআইজি হিসেবে পদোন্নতি পান। এবার তাকে দেশের সর্বোচ্চ পুলিশ পদে দায়িত্ব দেওয়া হলো।

৫ আগস্টের পর হয়রানির উদ্দেশ্যে হাজার হাজার আসামি করা হয়েছে : স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী

৫ আগস্টের পর হয়রানির উদ্দেশ্যে হাজার হাজার আসামি করা হয়েছে : স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী

৫ আগস্টের পর হয়রানির উদ্দেশ্যে হাজার হাজার আসামি করা হয়েছে : স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী

২০২৪ সালের ৫ আগস্টের পর হয়রানির উদ্দেশ্যে অনেক সুবিধাবাদী মহল অসংখ্য মামলা করেছে বলে মন্তব্য করেছেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ।

মঙ্গলবার (২৪ ফেব্রুয়ারি) দুপুরে সচিবালয়ে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে তিনি এ কথা বলেন।

মন্ত্রী জানান, পাঁচ আগস্টের পর এমন অনেক মামলা হয়েছে যেখানে শত শত, এমনকি হাজার হাজার মানুষকে আসামি করা হয়েছে। সরকারের নজরে ইতোমধ্যে এ ধরনের কিছু মামলা এসেছে।

তিনি বলেন, একটি সুবিধাবাদী শ্রেণি এসব মামলা দায়ের করেছে। সেগুলো যাচাই-বাছাই করে শনাক্ত করা হবে। আইনের শাসন প্রতিষ্ঠা করাই সরকারের লক্ষ্য। মামলাবাজির মাধ্যমে কাউকে হয়রানি করা হয়ে থাকলে তা বন্ধে ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

মামলা প্রত্যাহার প্রসঙ্গে এক প্রশ্নের জবাবে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, হত্যা, মাদক এবং নারী ও শিশু নির্যাতনসংক্রান্ত মামলা ছাড়া অন্যান্য রাজনৈতিক মামলাগুলো আমলে নেওয়া হয়েছে। তিনি উল্লেখ করেন, তার বিরুদ্ধেও বহু হত্যা মামলা রয়েছে, পাশাপাশি অস্ত্র ও বিস্ফোরক সংক্রান্ত মামলাও আছে।

মন্ত্রী আরও বলেন, রাজনৈতিক উদ্দেশ্যে করা মামলাগুলো যাচাই করে প্রত্যাহারের বিষয়ে নতুন উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। তবে যেন কোনোভাবে এর অপব্যবহার না হয়, সে বিষয়টি গুরুত্ব দিয়ে দেখা হবে।

সাকিবের ফাইল ক্রীড়া মন্ত্রণালয়ে, আশাবাদী বিসিবি

সাকিবের ফাইল ক্রীড়া মন্ত্রণালয়ে, আশাবাদী বিসিবি

সাকিবের ফাইল ক্রীড়া মন্ত্রণালয়ে, আশাবাদী বিসিবি

দীর্ঘ বিরতির পর আবারও আলোচনার কেন্দ্রে বাংলাদেশের সাবেক অধিনায়ক সাকিব আল হাসান। ভারতের বিপক্ষে সিরিজের পর থেকে জাতীয় দলের জার্সিতে আর দেখা যায়নি অভিজ্ঞ এই অলরাউন্ডারকে।

বৈষম্যবিরোধী আন্দোলনের পর তার বিরুদ্ধে দায়ের হওয়া মামলার জটিলতায় দেশে ফেরা আটকে যায়। ফলে প্রায় দুই বছর ধরেই লাল-সবুজের বাইরে সময় কাটছে দেশের অন্যতম সেরা এই ক্রিকেটারের।

তবে এবার তার জাতীয় দলে ফেরার সম্ভাবনা নতুন করে জোরালো হয়েছে। আইনি জটিলতা নিরসনে উদ্যোগ নিয়েছে বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ড (বিসিবি)। বোর্ডের পক্ষ থেকে প্রয়োজনীয় নথিপত্র যুব ও ক্রীড়া মন্ত্রণালয়ে পাঠানো হয়েছে বলে জানিয়েছেন পরিচালক আসিফ আকবর।

তিনি বলেন, সাকিবের সব মামলার কাগজপত্র সংগ্রহ করা হয়েছে। বিসিবির প্রধান নির্বাহী ও সহ-সভাপতি ফারুক আহমেদ সংশ্লিষ্ট মহলকে বিষয়টি অবহিত করেছেন। ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রীর সঙ্গে এক বৈঠকে বিভিন্ন ফেডারেশনের ইস্যুর পাশাপাশি সাকিবের ফাইলও উপস্থাপন করা হয়। যদিও বৈঠকে সরাসরি এ বিষয়ে বিস্তারিত আলোচনা হয়নি, তবে প্রতিমন্ত্রী বিষয়টি আলাদাভাবে নজরে রেখেছেন বলে জানা গেছে।

আসিফ আকবর আরও জানান, মন্ত্রণালয়ের নির্দেশনা অনুযায়ী নথি সচিবের দপ্তরে পাঠানো হবে। বিসিবির প্রাথমিক প্রক্রিয়া শেষ হয়েছে, এখন চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত সরকারের।

তিনি বলেন, ৫ আগস্টের পর দায়ের হওয়া মামলাগুলো পুনর্বিবেচনার কথা জানিয়েছে সরকার। সেই প্রেক্ষাপটে সাকিবের বিষয়েও দ্রুত অগ্রগতি হতে পারে বলে আশা করা হচ্ছে।