শনিবার, ৭ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬

সুষ্ঠু নির্বাচন নিয়ে কোনো শঙ্কা নেই: ইসি


নির্বাচন কমিশনার আব্দুর রহমানেল মাছউদ বলেছেন, দেশে ভোটের সাংস্কৃতিক পরিবেশে ইতিবাচক পরিবর্তন এসেছে এবং সুষ্ঠু নির্বাচন নিয়ে কোনো শঙ্কা নেই। নির্বাচন কমিশন কোনো পক্ষের চাপে নেই বলে তিনি দৃঢ়ভাবে জানান। তার ভাষায়, বর্তমান আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি ভালো এবং নির্বাচনের জন্য সহায়ক পরিবেশ বিদ্যমান। এবারের নির্বাচনে কোনো ধরনের ইলেকশন ইঞ্জিনিয়ারিং হবে না।

শনিবার (৭ ফেব্রুয়ারি) বিকেলে রংপুর সার্কিট হাউজে ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন ও গণভোট উপলক্ষে আয়োজিত এক মতবিনিময় সভা শেষে সাংবাদিকদের এসব কথা বলেন তিনি।

ইসি মাছউদ বলেন, দেশব্যাপী নির্বাচন কমিশনের কার্যক্রম চলছে। একটি ভালো ও গ্রহণযোগ্য নির্বাচন উপহার দিতে রিটার্নিং কর্মকর্তা, সহকারী রিটার্নিং কর্মকর্তা, নির্বাচনের সঙ্গে যুক্ত প্রায় ১৮ লাখ কর্মকর্তা-কর্মচারী, পুলিশ, বিজিবি, সেনাবাহিনী ও আনসার বাহিনী সবাই প্রতিজ্ঞাবদ্ধ। তাদের মধ্যে সেই মানসিক প্রস্তুতিও স্পষ্ট।

তিনি আরও বলেন, চলমান রাজনৈতিক পরিস্থিতি নিয়ে নির্বাচন কমিশনের ওপর কোনো ধরনের চাপ নেই। তবে নির্বাচনকে আরও সহজ ও গ্রহণযোগ্য করতে সবার সহযোগিতা প্রয়োজন। কমিশনের অবস্থান স্পষ্ট—যে কোনো কার্যক্রম যা নির্বাচনের অনুকূলে নয়, তার বিরোধিতা করা হবে। সুষ্ঠু পরিবেশ নিশ্চিত করতে জনগণকেও দায়িত্বশীল ভূমিকা রাখতে হবে।

আব্দুর রহমানেল মাছউদ বলেন, দেশের রাজনৈতিক পরিবেশ ও ভোটের সংস্কৃতিতে বড় পরিবর্তন এসেছে। বড় দুই রাজনৈতিক দলের নেতারা নির্বাচন কমিশনের নির্দেশনা মেনে পোস্টার অপসারণ ও সফর বাতিলসহ বিভিন্ন সিদ্ধান্ত নিয়েছেন, যা ইতিবাচক বার্তা দেয়।

তিনি জানান, রাজনৈতিক দলগুলোর একে অপরের বিরুদ্ধে বক্তব্য দেওয়া ভোটের মাঠের স্বাভাবিক কৌশলের অংশ। তবে সহিংসতা ও হত্যাকাণ্ডের বিষয়ে নির্বাচন কমিশন কঠোর অবস্থানে রয়েছে। শহীদ শরিফ ওসমান হাদি হত্যাকাণ্ডের নিন্দা জানিয়ে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীকে সুষ্ঠু তদন্তের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে বলেও জানান তিনি।

মতবিনিময় সভায় জেলা আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী সেল, ভিজিল্যান্স ও অবজারভেশন টিম, নির্বাচনি অনুসন্ধান ও বিচারিক কমিটির সদস্যসহ রংপুর জেলার ছয়টি সংসদীয় আসনের দায়িত্বপ্রাপ্ত এক্সিকিউটিভ ম্যাজিস্ট্রেটরা অংশ নেন।

এ সময় আঞ্চলিক নির্বাচন কর্মকর্তা দেলোয়ার হোসেন, জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ এনামুল আহসান, রংপুর জেলা পুলিশ সুপার মারুফাত হুসাইন, মেট্রোপলিটন পুলিশের উপ-পুলিশ কমিশনার তোফায়েল হোসেনসহ সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।


শেয়ার করুন

Author:

Etiam at libero iaculis, mollis justo non, blandit augue. Vestibulum sit amet sodales est, a lacinia ex. Suspendisse vel enim sagittis, volutpat sem eget, condimentum sem.

0 coment rios: