পুঠিয়ায় ২ বিলের পানি নিষ্কাশন না হওয়ায় শতশত কৃষক ক্ষতিগ্রস্ত
রাজশাহী পুঠিয়া উপজেলার ভালুকগাছি ইউনিয়নে খামারপাড়া ও হোজারপাড়া গ্রামের জোকা বিল ও সোনাকান্দর বিলের পানি সরকারি ক্যানেল থাকার পরেও পানি নিষ্কাশন না হওয়ায় দশ বছর ধরে অনুমানিক ৫০০ থেকে ৬০০ বিঘা জমি পানিতে তলিয়ে থাকে,পানি থাকার কারণে শত শত কৃষক ব্যাপক ক্ষতির মুখে পড়েছে। যেখানে জোকা বিল হয়ে সোনাকান্দন বিল খালিদ সাগর পর্যন্ত প্রায় আড়াই থেকে তিন কিলোমিটার সরকারি ক্যানেল
রয়েছে কিন্তু পানি নিষ্কাশন হয় না।
কৃষক হাবিবুর রহমান বলেন,জোকা বিল ও সোনাকান্দরের বিল দুই পাশে পুকুর হওয়ার কারণে,অনেকটা মাটি দিয়ে ভরে গেছে সরকারি ক্যানেল। আমরা ১০-১২ বছর ধরে কোন আবাদ ফসল করতে পারিনা খুব অসুবিধার মধ্যে আছি। এই সরকারি ক্যানেল টা দ্রুত সংস্কারের দাবি জানাই। মোঃ মোতালেব হোসেন বলেন, আমাদের এই দুই বিলের পানি নিষ্কাশনের জন্য সরকারি ক্যানেল রয়েছে কিন্তু টেনেলে দুই ধারের মাটি পড়াই অনেকটাি ভরে গেছে। মোটামুটি সোনাকান্দর বিল ও হোজার বিল মিলিয়ে ৫০০ থেকে ৬০০ বিঘা জমির রয়েছে। পানি নিষ্কাশন না হওয়ার ফলে আমরা অনেক ফসল থেকে বঞ্চিত হয়ে আছি, দশ বছর ধরে এই অবস্থা। মোঃ মোতালেব হোসেন বলেন,আমাদের এই দুই বিল মিলে ২০০ থেকে ৩০০ পরিবার রয়েছে আমরা কৃষির উপর নির্ভরশীল,আমরা অনেক উদ্যোগ নিয়েছি পানির নিষ্কাশনের কোন ব্যবস্থা পাইনি তাই আমরা দ্রুত সমাধান চাই। এমপি মহোদয় ও ইউএনও স্যারের কাছে আবেদন জানাচ্ছি যেন দ্রুত সংস্কার হয় আমাদের এই বিলের ক্যানেল। মোঃ মনসের আলী সরদার বলেন,আমার জমিগুলো পড়ে থাকে আবাদ হয় না আমার এই বিলে মোটামুটি আড়াই বিঘা জমি রয়েছে। এক সময় আমরা এই বিলে আলু,সরিষা,পিঁয়াজ,পাট,যা মন চেয়েছে তাই ফসল করেছি,কিন্তু এখন এসে বছরে একটি ফসল করাও দায় হয়েছে।মোঃ মনসুর মন্ডল বলেন,আমাদের টানেল অনেকটাই ভরে গেছে দ্রুত সংস্কার না করলে,আমরা কৃষক এটার উপরে নির্ভরশীল বিলে এখনো কোথাও এক মাজা পানি আবার কোথাও হেঁটো পানি আমরা কিভাবে আবাদ করব,তাই দ্রুত ক্যানেলটি সংস্কারের দাবি করছি।
এলাকাবাসী টানেলের দ্রুত সংস্কারের দাবি করেন।
এ বিষয়ে উপজেলা নির্বাহী অফিসার লিয়াকত সালমান বলেন,বিষয়টি অনেক উদ্বেগ জনক,যত দ্রুত সম্ভব ভিজিটে যাবে সরোজমিনে,এবং তদন্ত করে বিষয়টি ব্যবস্থা নেওয়া হবে।