Global Header Bottom
সিরাজগঞ্জে বাংলাদেশ প্রাইভেট হসপিটাল, ক্লিনিক অ্যান্ড ডায়াগনস্টিক অ্যাসোসিয়েশনের মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত

সিরাজগঞ্জে বাংলাদেশ প্রাইভেট হসপিটাল, ক্লিনিক অ্যান্ড ডায়াগনস্টিক অ্যাসোসিয়েশনের মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত

সিরাজগঞ্জে বাংলাদেশ প্রাইভেট হসপিটাল, ক্লিনিক অ্যান্ড ডায়াগনস্টিক অ্যাসোসিয়েশনের মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত

বাংলাদেশ প্রাইভেট হসপিটাল, ক্লিনিক অ্যান্ড ডায়াগনস্টিক অ্যাসোসিয়েশনের কেন্দ্রীয় নির্বাহী কমিটির সাথে সিরাজগঞ্জ জেলা শাখার আয়োজনে এক মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে।

গত ২৯ সেপ্টেম্বর ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ, মঙ্গলবার, দুপুর ১২:০০ ঘটিকায় সিরাজগঞ্জের কাশিয়াহাটা এলাকার ছোয়া রিসোর্ট-এ এই মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত হয়।

সভায় প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বাংলাদেশ প্রাইভেট হসপিটাল, ক্লিনিক অ্যান্ড ডায়াগনস্টিক অ্যাসোসিয়েশনের কেন্দ্রীয় কমিটির সভাপতি ডা. মো. মোসাদ্দেক হোসেন বিশ্বাস ডাম্বেল।

সম্মানিত অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন কেন্দ্রীয় কার্যনির্বাহী কমিটির যুগ্ম মহাসচিব মো. মোকাদ্দেছ আলী মজুমদার শাহীন, সাধারণ সম্পাদক সামসুর রহমান কোয়েল এবং প্রচার ও প্রকাশনা সম্পাদক মো. আব্দুল আওয়াল রাজা। অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন সিরাজগঞ্জের সিভিল সার্জন ডা. মো. নুরুল আমীন।

সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে ডা. মো. মোসাদ্দেক হোসেন বিশ্বাস ডাম্বেল স্বাস্থ্য খাতের মানোন্নয়নে পাইলট প্রজেক্টের মাধ্যমে জাতীয় ক্যান্সার, গ্যাস্ট্রোএন্টারোলজি, নিউরোসায়েন্স, বার্ন এবং বার্ন ইউনিটগুলোকে আধুনিক রেফারেল সিস্টেমের আওতায় আনার ওপর জোর দেন। তিনি নরসিংদী, সিরাজগঞ্জ, নোয়াখালী, ঝালকাঠি ও বগুড়ায় কার্যকরি রেফারেল পাইলট স্কিম চালুর আহ্বান জানান। প্রধান অতিথি আরও উল্লেখ করেন, উপজেলা ও জেলা পর্যায়ের হাসপাতালগুলোতে রোগী প্রেরণ ও কাউন্টার রেফারেন্সের স্পষ্ট ব্যবস্থা থাকা দরকার। এছাড়া প্রাইভেট ক্লিনিক ও ডায়াগনস্টিক সেন্টারগুলোতে ২৪ ঘণ্টা রেজিস্টার্ড চিকিৎসক, ডিপ্লোমাধারী নার্স এবং টেকনোলজিস্ট নিশ্চিত করার বিষয়ে তিনি গুরুত্বারোপ করেন।

মতবিনিময় সভায় বিশেষ অতিথির বক্তব্যে সিরাজগঞ্জের সিভিল সার্জন ডাক্তার নুরুল আমিন বেসরকারি স্বাস্থ্য খাতের অবদানের যথাযথ স্বীকৃতি ও ডেটাবেজ তৈরির ওপর গুরুত্বারোপ করেন।

তিনি বলেন, সাধারণ মানুষের দোরগোড়ায় স্বাস্থ্যসেবা পৌঁছে দিতে সরকারি উদ্যোগের পাশাপাশি বেসরকারি হাসপাতাল, ক্লিনিক ও ডায়াগনস্টিক সেন্টারগুলো গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রেখে চলেছে। তবে সার্বিকভাবে এই খাতের সুনির্দিষ্ট কোনো ডিজিটাল ডেটাবেজ বা সঠিক পরিসংখ্যান না থাকায় স্বাস্থ্যসেবায় বেসরকারি খাতের প্রকৃত অবদান ও অর্জনগুলো অনেক সময় যথাযথভাবে রাষ্টীয়ভাবে বা সঠিকভাবে তুলে ধরা সম্ভব হয় না।

বেসরকারি স্বাস্থ্য খাতের সেবাগুলোকে যদি একটি সুসংগঠিত ও ডিজিটালাইজড রেকর্ডের আওতায় আনা যায়, তবে স্বাস্থ্য খাতের সার্বিক উন্নয়নে এই খাতের অবদান আরও স্পষ্ট ও ফলপ্রসূ হবে।

সভায় সভাপতি ডা. আব্দুল লতিফ সাহেব তাঁর বক্তব্যে হাসপাতাল ও ক্লিনিক পরিচালনার নানা নিয়ম-নীতি এবং মানসম্মত সেবা নিশ্চিত করার ওপর গুরুত্বারোপ করেন। হাসপাতাল ও ডায়াগনস্টিক সেন্টারে মানসম্মত সেবা নিশ্চিত করতে হবে। ক্লিনিক ও হাসপাতালগুলোতে ন্যূনতম মান এবং জনবল রাখার ওপর কড়া তাগিদ দিয়েছেন। তিনি বলেন, প্রতিটি হাসপাতালে সেবার মান নিশ্চিত করতে হলে প্রয়োজনীয় চিকিৎসক, নার্স এবং টেকনিশিয়ান থাকা বাধ্যতামূলক।

ডা. লতিফ আরও বলেন, নিয়মতান্ত্রিকভাবে হাসপাতাল পরিচালনা করতে হবে, যাতে সিভিল সার্জন বা অন্য কোনো কর্তৃপক্ষের অনুমতির বাইরে কেউ যত্রতত্র অবৈধভাবে ক্লিনিক বা ডায়াগনস্টিক সেন্টার চালাতে না পারে। তিনি সেবার মান উন্নত করার মাধ্যমে স্বাস্থ্য খাতের শৃঙ্খলা ফিরিয়ে আনতে সংশ্লিষ্ট সকলের প্রতি আহ্বান জানান।

সভায় সভাপতিত্ব করেন বাংলাদেশ প্রাইভেট হসপিটাল, ক্লিনিক অ্যান্ড ডায়াগনস্টিক অ্যাসোসিয়েশন, সিরাজগঞ্জ জেলা শাখার সভাপতি ডা. আব্দুল লতিফ এবং পুরো অনুষ্ঠান সঞ্চালনা করেন সাধারণ সম্পাদক ডা. মো. আবদুস সামাদ আজাদ খোকন।

শেয়ার করুন:

এই ক্যাটাগরির আরও নিবন্ধ

Global Before Footer