Global Header Bottom
খুলনায় সরকারি চালবোঝাই ট্রাক উধাও, ৭ দিনেও মেলেনি সন্ধান

খুলনায় সরকারি চালবোঝাই ট্রাক উধাও, ৭ দিনেও মেলেনি সন্ধান

খুলনায় সরকারি চালবোঝাই ট্রাক উধাও, ৭ দিনেও মেলেনি সন্ধান

খুলনার মহেশ্বরপাশা কেন্দ্রীয় খাদ্য সংরক্ষণাগার থেকে যশোরের ঝিকরগাছা খাদ্য গুদামে পাঠানোর জন্য রওনা হওয়া প্রায় ২০ মেট্রিক টন সেদ্ধ চালবোঝাই একটি ট্রাক সাত দিনেও খুঁজে পাওয়া যায়নি। নিখোঁজ চালের বাজারমূল্য প্রায় ১২ লাখ টাকা।

এ ঘটনায় পরিবহন ঠিকাদার প্রতিষ্ঠান মেসার্স অনামিকা ট্রেডার্সের দায়িত্ব পালনে অবহেলা এবং প্রতিষ্ঠানটির মালিক মো. সাহিল উদ্দিনের ভূমিকা নিয়ে প্রশ্ন উঠেছে।

মহেশ্বরপাশা কেন্দ্রীয় খাদ্য সংরক্ষণাগারের ব্যবস্থাপক মো. মোশারেফ হোসেন জানান, গত ২৯ জুলাই সংরক্ষণাগারের ১৫ নম্বর গুদাম থেকে ২০ মেট্রিক টন সেদ্ধ চাল যশোরের ঝিকরগাছা খাদ্য গুদামে পাঠানোর জন্য ঢাকা মেট্রো-১৫-২৪৩৫ নম্বরের একটি ট্রাক ভাড়া করা হয়। পরিবহন ঠিকাদার নিজে উপস্থিত থেকে ট্রাকে চাল লোড করান। পরে চালান ও গেটপাস নিয়ে বিকেল ৫টার দিকে ট্রাকটি সংরক্ষণাগার ত্যাগ করে।

তবে পরদিন (৩০ জুলাই) ঝিকরগাছা খাদ্য গুদামের খাদ্য পরিদর্শক মো. আল আমিন কবির বিশ্বাস সংরক্ষণাগার কর্তৃপক্ষকে জানান, চালের চালানটি গুদামে পৌঁছেনি। এরপর থেকেই চালবোঝাই ট্রাকটির কোনো খোঁজ পাওয়া যাচ্ছে না।

এ ঘটনায় পরিবহন ঠিকাদার মো. সাহিল উদ্দিন ৩০ জুলাই খুলনার দৌলতপুর থানায় একটি লিখিত অভিযোগ দায়ের করেন।

তদন্তকারী কর্মকর্তা দৌলতপুর থানার উপ-পরিদর্শক (এসআই) মো. সাইফুল ইসলাম জানান, অভিযোগে উল্লেখ করা ট্রাকের নম্বর ও চালকের মোবাইল নম্বর যাচাই করে অসঙ্গতি পাওয়া গেছে। ট্রাকের নম্বরটি একটি ডাম্প ট্রাকের, যা বর্তমানে কুমিল্লায় চলাচল করছে। এছাড়া চালক ও হেলপারের দেওয়া দুটি মোবাইল নম্বর যথাক্রমে ঠাকুরগাঁও ও দিনাজপুরের দুই নারীর নামে নিবন্ধিত।

এ বিষয়ে মেসার্স অনামিকা ট্রেডার্সের মালিক মো. সাহিল উদ্দিনের সঙ্গে মোবাইল ফোনে যোগাযোগ করা হলে তিনি ব্যস্ততার কথা জানিয়ে পরে কথা বলবেন বলে কল কেটে দেন।

মহেশ্বরপাশা কেন্দ্রীয় খাদ্য সংরক্ষণাগারের ব্যবস্থাপক মো. মোশারেফ হোসেন বলেন, সংরক্ষণাগার থেকে চাল লোড করে ট্রাক চালান ও গেটপাস নিয়ে বের হওয়ার পর থেকে চালের নিরাপদ পরিবহনের দায়িত্ব সংশ্লিষ্ট পরিবহন ঠিকাদারের। ট্রাক নিখোঁজ হওয়ার বিষয়টি ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষকে জানানো হয়েছে।

তিনি আরও জানান, চুক্তি অনুযায়ী ৪৫ দিনের মধ্যে ঠিকাদার চাল উদ্ধার করতে ব্যর্থ হলে তাকে চালের দেড় গুণ মূল্য সরকারি কোষাগারে জমা দিতে হবে। একই সঙ্গে সংশ্লিষ্ট পরিবহন বিলও বাতিল করা হবে।

শেয়ার করুন:

এই ক্যাটাগরির আরও নিবন্ধ

Global Before Footer